জোসেফ বাধনের সাফল্যের গল্প Businessic GrowUp-এর হাত ধরে
- আপডেট সময় ০২:৩৮:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
- / ২৫৯ বার পড়া হয়েছে
ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তনের যাত্রায় নতুন প্রজন্মের তরুণরা আজ ঘরে বসেই ছুঁয়ে ফেলছে বৈশ্বিক মার্কেটপ্লেস। তাঁদের মধ্যেই একজন অনুপ্রেরণাদায়ী নাম জোসেফ বাধন। তিনি এখন একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার ও ফ্রিল্যান্সার, যাঁর কর্মজীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে আছে Businessic GrowUp এজেন্সির ছোঁয়া।
শুরুটা ছিল একদম নিচু থেকে। কখনও অনলাইন সার্ভে, কখনও ছোটখাটো মাইক্রো জব। এইভাবেই ধীরে ধীরে পথ চলা শুরু হয় জোসেফ বাধনের। তখন হয়তো তিনি জানতেন না, এই ছোট ছোট প্রচেষ্টাই একদিন তাঁকে নিয়ে যাবে একদম ভিন্ন এক উচ্চতায়।
জোসেফ বলেন,
“প্রথম দিকে শুধু কিছু বাড়তি আয়ের আশায় কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু সময়ের সাথে বুঝতে পারলাম, অনলাইন জগৎ আসলে একটা বিশাল সুযোগের দুনিয়া।”
এই উপলব্ধিই তাঁকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ইউটিউবের মাধ্যমে শিখতে শুরু করেন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের খুঁটিনাটি, পাশাপাশি বিভিন্ন ইনস্টিটিউট থেকে সম্পন্ন করেন প্রফেশনাল কোর্স। এরপরই শুরু হয় তাঁর নতুন অধ্যায় Businessic GrowUp এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেশাদার জীবনের আসল যাত্রা।
বর্তমানে জোসেফ বাধন দেশে বসেই আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করছেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রজেক্টে তাঁর দক্ষতার ছাপ রেখে চলেছেন তিনি। Businessic GrowUp-এর টিমের অংশ হিসেবে তিনি SEO, ডিজিটাল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছেন নিয়মিতভাবে।
জোসেফের মতে,
Businessic GrowUp শুধু একটা কর্মস্থল নয় এটা একটা পরিবার, একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে আমি নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে শিখেছি।”
আজ তাঁর প্রতিদিনের কাজের ঘরটাই হয়ে উঠেছে গ্লোবাল অফিস। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজের মাঝে ভেসে বেড়ায় নতুন নতুন আইডিয়া, নতুন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সৃজনশীলতার গল্প।
এই যাত্রা সহজ ছিল না। কিন্তু পরিশ্রম, একাগ্রতা, আর শেখার আগ্রহ তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে একের পর এক সাফল্যের পথে। এখন তিনি শুধু নিজের জন্যই নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের জন্যও এক অনুপ্রেরণা।
শেষে জোসেফের কথায়,
“আমি বিশ্বাস করি, সুযোগ সবসময় থাকে, শুধু সেটা খুঁজে নিতে হয়। আমি খুঁজেছি, আর Businessic GrowUp আমাকে সেই পথটা দেখিয়েছে।”
জোসেফ বাধনের এই সফলতা প্রমাণ করে, আজকের বাংলাদেশে দক্ষতা ও দৃঢ় সংকল্প থাকলে ঘরে বসেই জয় করা যায় আন্তর্জাতিক অঙ্গন। আর তাঁর এই গল্প হয়তো অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে আগামী দিনের আরও শত তরুণের কাছে।










